ফ্রিলান্সিং করতে কি কি লাগে?

ফ্রিলান্সিং করার ইচ্ছা অনেকেরই রয়েছে, এখন অনেকেই চায় ফ্রিলান্সিং করতে, কিন্তু কিভাবে করবেন তা অবশ্যই জানতে হবে। তার আগে জানা দরকার

ফ্রিলান্সিং কি? – জানতে এখানে ক্লিক করুন।  (যারা এই পোষ্ট পরেছেন তাদের ধন্যবাদ)

ফ্রিলান্সিং করতে মূলত লাগে কোন কাজের অভিজ্ঞতা, কাজের অনেক ধরণ রয়েছে, সেসব অনুযায়ী জানতে হবে কাজ। ফ্রিলান্সিং এর প্রথম ও প্রধান কাজ হল আপনি যে কাজটি জানেন সেটিকে একদম ভালো ভাবে আয়ত্ত করা। কাজের মধ্যে যেমন আছেঃ

  • Graphics & Design
  • Digital Marketing
  • Writing & Translation
  • Video & Animation
  • Music & Audio
  • Programming & Tech
  • Business
  • Lifestyle

এই কাজগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন কাজ ও তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

এই কাজগুলো বৃহৎ অর্থের কাজ, মানে সব কাজের ভিতর আরো কাজ রয়েছে, যেমনঃ Graphic & Design এর মধ্যে Logo design, Brand Style Guide, Game Design, Graphics for streamers, Business card & stationery, Resume Design etc. কাজ নিয়ে আরো আলোচনা থাকবে বিষয় ভিত্তিক যে যে কাজের জন্য ফ্রিলান্সিং করতে চান।

এসব কাজের মধ্যে যদি আপনি কোন কাজ না পেরে থাকেন তবে আপনাকে যেকোন একটি কাজ শিখতে হবে, তবেই আপনি ফ্রিলান্সিং জগতে ডুকতে পারবেন। তবে কেউ যদি যেকোন কাজে ভালো অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন, সে যেমনি কাজ হোক আপনি পারবেন কিছু না ‍কিছু করতে! সাধারণ কথা, কিন্তু ইন্টারনেটের জগতে কিভাবে আপনার অভিজ্ঞতা কাজে আসতে পারে, তা জানতে কমেন্ট করতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতার ব্যাপারে। – এর মাঝে কাজ শিখতে থাকুন আর নিজের অভিজ্ঞতাকে বাড়াতে থাকুন।

বুঝতেই পারছেন কাজ আর কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে এতো লেখা তার মানে কাজ শেখা বা জানা হলো ফ্রিলান্সিং শিখার প্রথম ধাপ, যেটা আপনাকে জানতেই হবে। এবার আসি এর পর জরুরি ব্যাপার গুলোর মধ্যে, ফ্রিলান্সিং করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি জানতে হবে, এটা হলো Communication এর জন্য ব্যবহৃত ইংলিশ। যা বলছেন তা যদি Buyer বুঝতে পারে তাতেই হবে। এর পর জরুরি যেসব ব্যাপার তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ

  • যে কাজ করতে চান (উপরে বর্ণিত কাজের মধ্যে), তার জন্য যথেষ্ট এবং সে কাজের জন্য ভালো মানের যন্ত্র ও ব্যবহৃত সামগ্রী থাকতে হবে।
  • শুরুর সময় যথেষ্ট সময় দিতে হবে, সে জন্য ফ্রিলান্সিং এর উপর যথেষ্ট সময় দিতে পারার মানসিকতা রাখতে হবে।
  • যে স্থানে কাজ করবেন, সেখানে ইন্টারনেট ও ইচ্ছামতন কাজ করার সুবিধা থাকতে হবে।
  • যথেষ্ট পরিমান ধর্যের প্রয়োজন আছে আর প্রথম অর্ডার আসার আগে পর্যন্ত তা ধরে রাখতে হবে এবং পরবর্তীতে তা ঠিক রাখতে হবে।
  • যে কাজ করে দিবেন সেটাকে যতটা সম্ভব আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে প্রস্তুত করতে হবে এবং কাজটিকে দিন দিন উন্নত করতে হবে।
  • প্রথম অর্ডার থেকে এর পর যত অর্ডার আসবে সব গুলোকে মানসম্মত করে প্রস্তুত করেই বাইয়ার (Buyer) কে দিতে হবে।

একজন সফল ফ্রিলান্সার হতে হলে এই নিয়মগুলোর পাশাপাশি আরো অনেক নিয়ম রয়েছে যা মেনে চলতে হবে। মনে রাখবেন, আপনি দৈনন্দিন জীবনে যা কাজ করেন, তার যে নিয়ম কানুন থাকে, সে বিষয়গুলো ফ্রিলান্সিং এর কাজেও থাকবে, তবে অফিস এর কাজ চাইলে আজ নাহয় কাল করবো এমন করেন অনেকেই, ফ্রিলান্সিং এর কাজ এর সময় নির্ধারিত, তাই যে কাজ যতটুকু সময় নিয়ে করা সম্ভব ঠিক অতটুকু সময় নিয়ে, নির্দিষ্ট সময়ের মাঝেই কাজ সম্পন্ন করে দিতে হবে।

এই পোষ্ট এর মধ্যে আপনার যে প্রশ্ন আসতে পারে!

কিভাবে ফ্রিলান্সিং করতে হয় বা কিসের মাধ্যমে হয়?

ফ্রিলান্সিং করার জন্য ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেসব মার্কেটপ্লেস নানা রকম ভাবে কাজ দেওয়া ও কাজের ব্যাপারে আপনাকে লিখতে হবে, এর পর বায়ার আপনাকে পছন্দ করলে, তিনি কাজ দিবেন, এর পর সেই কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করে বায়ার কে দিতে হবে। এর মধ্য দিয়েই ফ্রিলান্সিং হয়। ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস নিয়ে বিস্তারিত কথা হবে আগামি দিনের পোষ্ট গুলোতে।

কিভাবে ফ্রিলান্সিং এর করা আয় তুলবো বা তুলবেন?

ফ্রিলান্সিং এর করা আয় তুলতে ব্যাংক একাউন্ট লাগবে আর মাঝে মাঝে দরকার হয় মাধ্যম, মানে কোন অনলাইন ব্যাংক সেবা ব্যবহার করে টাকা তুলতে হবে, ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস এর ভিত্তিতে এসব নানা রকম হয়ে থাকে। এসব নিয়ে বিস্তারিত মার্কেটপ্লেস ও কাজ শেখার পর হবে। আমাদের পোষ্ট পড়েন এবং সে অনুযায়ী কাজ শিখতে থাকেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে ঝটফট লিখে ফেলুন কমেন্ট বক্স এ।

4 thoughts on “ফ্রিলান্সিং করতে কি কি লাগে?”

Leave a Comment