ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার কিছু ভালো দিক ও পূর্ব প্রস্তুতি

ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে মার্কেটিং, বিভিন্ন মাধ্যম যেমনঃ সোস্যাল মিডিয়া, ই-মেইল, ও এস.এম.এস এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং হয়ে থাকে, এছাড়াও আছে ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়ানো এবং SEO করা। ব্যাকলিংক তৈরী ও নানা রকম কাজ। এসব কাজ নিয়ে আমার আগের পোষ্ট এ আলোচনা করা হয়েছে সংক্ষিপ্ত ভাবে। চাইলে দেখে আসতে পারেনঃ ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন কাজ ও তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

ডিজিটাল মার্কেটিং হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং

ডিজিটাল মার্কেটিং হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে কিছু ভালো দিক থাকবে। ধরুন কোন একটা কাজ করতে চান অনলাইন ভিত্তিক যদি কাজটি শুরু করার পর সেরকম ভাবে আপনি মানুষ পাচ্ছেন না, তাহলে মার্কেটিং কাজে আসবে অথবা ফ্রিল্যান্সিং অনেক ভাবেই শুরু করা যায়, গ্রাফিক্স ডিজাইনার বা ওয়েব ডিজাইনার, যেই ভাবেই শুরু করেন, মার্কেটিং জানতেই হবে। তাই মার্কেটিং অনেক জরুরি একটা মাধ্যম।

ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে জরুরি হল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস, যদি ডিজিটাল মার্কেটিং জানা থাকে ভালো করে, তাহলে এই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসেরো তেমন প্রয়োজন হয়না। ফেসবুক বা ই-মেইল করেও কাজ করতে পারবেন। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ছাড়া কাজ পেলেও করাটা একটু কঠিন কারণ সেখানে কোন নিশ্চয়তা থাকেনা পেমেন্ট পাবেন কি না। কিন্তু একটা সুবিধা আছে, যে কাজটি করবেন, সেটার পুরো পেমেন্ট পাবেন, নাহলে ফ্রিলান্সিং মার্কেটিপ্লেস এ কিছু পরিমান কেটে নেই। তবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে সুবিধা বেশি।

কারা ডিজিটাল মার্কেটার খোজে?

ডিজিটাল মার্কেটার সব সময়ের চাহিদা, প্রতিদিন কত মানুষ ওয়েবসাইট ও নানান রকম ই-কমার্স এর ওয়েবসাইট বানিয়ে নিজের কাজ শুরু করছে, তাদের প্রত্যেকজন ডিজিটাল মার্কেটার খোজে তাদের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে সবাইকে জানানোর জন্য। হয়তো কেউ চায়, আপনি তার ওয়েবসাইট এর সোস্যাল মিডিয়ার সব ধরনের একাউন্ট খুলে দেন, কিন্বা তার ওয়েবসাইট এর SEO করে দেন। আবার কেউ আসে তার কোন পণ্য বা সেবা সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবার কাছে পৌছে দেন।

ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ শুরু করার জন্য কি কি লাগবে?

  • একটা কম্পিউটার সাথে ইন্টারনেট সংযোগ।
  • সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি।
  • বিভিন্ন ধরনের গ্রুপ ও পেজ এ যোগ দিতে হবে।
  • ইংরেজি ভালো মানের জানতে হবে, কারণ গ্লোবালি মার্কেটিং করলে, ইংরেজি জানা জরুরি। অবশ্য সব ধরনের কাজে লিখার প্রয়োজন হয়না।
  • অন্যান্য কাজের তুলনায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজে সময় বেশি দিতে হয়, তাই সময়ের সল্পতা হলে চলবেনা।
  • একাধিক সামাজিক মাধ্যম ওয়েবসাইটে একাধিক একাউন্ট রাখতে হবে, বিভিন্ন নামে, আমেরিকান বা অন্য যেকোন দেশের স্থানীয় নামে একাউন্ট খুলতে পারেন।
  • মোটামোটি সব বিষয়ে ধারণা রাখতে হবে, কোন ধরনের কাজ কিভাবে মার্কেটিং করতে হবে, সেটা বোঝার জন্য।

এছাড়াও আর যে সব নিয়ম আছে, তা কাজ করার সময় বুঝে যাবেন। উপরে পোষ্ট টি পড়ে যদি কোন প্রশ্ন আসে ঝটপট করে ফেলুন কমেন্ট বক্স থেকে, সাথে থাকুন, এর পর ডিজিটাল মার্কেট এর মূল কাজ নিয়ে পোষ্ট থাকবে। এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল বিভাগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন কাজ এবং তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

Leave a Comment